বাংলাদেশের নদী

JRC – Joint Rivers Commission: (১৯৭২ সালে ২৪ নভেম্বর মাসে গঠিত হয়)।
RRI—River Research Institute : ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সদর দপ্তর ছিল ঢাকায় কিন্তু ১৯৮৮ সালে সদর দপ্তর ফরিদপুরের হারুকান্দি।
আন্তসীমান্ত নদী ৫৭টি ( যৌথ কমিশন) ৫৮টি ( বাংলাপিডিয়া) ৫৪/ ৫৫ টি ভারতের সাথে, মায়ানমারের সাথে ৩টি ( সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।
⇒ ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশ দিয়ে প্রবাহিত নদী দুধকুমার
⇒ নেপাল ভারত ও বাংলাদেশ দিয়ে প্রবাহিত নদী পদ্মা
⇒ চীন, ভারত ও বাংলাদেশ দিয়ে প্রবাহিত নদী -বহ্মপুত্র
⇒  দীর্ঘতম নদী সুরমা-মেঘনা-৩৯৯, ব্রহ্মপুত্র (দীর্ঘ পথ অতিক্রমকারী)
⇒  বিখ্যাত তিনটি নদী= গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা
♦ পদ্মা নদী/কীর্তিনাশা : হিমালয়ের গাঙ্গেত্রী হিমাবাহ থেকে উৎপন্ন হয়। উৎপত্তি স্থলে নাম যমুনা ,আগ্রার তাজমহলের পরে নাম হয় গঙ্গা।মুর্শিদাবাদে এসে দুই ভাগে বিভক্ত হয়।একটি ভাগরথী নামে সোজা দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। অন্যটি পদ্মা নামে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয় এবং চাঁদপুরে এসে মেঘনা নদীর সাথে মিশে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
♦ পদ্মার উপনদী: মহানন্দা(চাঁপাই), টাঙ্গন ও কুলিখ (ঠাকুরগাঁ), পূণর্ভবা(দিনাজপুর), নাগর(জয়পুরহাট) ,
♦ পদ্মার শাখানদী: মধুমতি ( মাগুরা), আড়িয়াল খাঁ( ফরিদপুর), ভৈরব (খুলনা), কপোতাক্ষ (যশোর), গড়াই (কুষ্টিয়া), ইছামতি (পাবনা)
♦ লোহিত/ব্রহ্মপুত্র: তিব্বতের কৈলাস টিলার মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি। উৎপত্তি স্থলে সানপো/ সাংপো। আসামে নাম হয় ব্রহ্মপুত্র (দিহাঙ)। কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ১৭৮৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র জামালপুর জেলার দেওয়ান গঞ্জের মধ্যে দিয়ে ময়মনসিংহের উপর দিয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরব পর্যন্ত এসে মেঘনার সাথে মিলিত হয়।
১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের ফলে নদীর মূল গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলা থেকে সোজা দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার উপর দিয়ে গোয়ালন্দে পদ্মার সাথে মিলিত হয় ; ব্রহ্মপুত্রের নতুন গতিপথ যমুনা নামে পরিচিত।
যমুনা নদীর পূর্বনাম ঃ জোনাই
♦ যমুনা নদী উপনদী ঃ তিস্তা (রংপুর), ধরলা ও দুধকুমার (কুড়িগ্রাম), করতোয়া ও বাঙ্গালী (বগুড়া), আত্রাই ( নওগাঁ)
♦ যমুনা নদীর শাখা নদী ঃ ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গা ( টাঙ্গাইল)
♦ মেঘনা ঃ আসাম / মুনিপুর রাজ্যের নাগা মনিপুর পাহাড় থেকে উৎপত্তি। উৎপত্তি স্থলে বরাক (তুই ভাই ও তুইরয়ং নদী মিলিত হয়ে বরাক নদী ) নামে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পূর্বে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুই ভাগে সিলেট জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে সুরমা ও কুশিয়ারা মিলিত হয়ে কালনি নাম ধারণ করে। আরো দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারে ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করে এবং চাঁদপুরে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
♦ মেঘনার উপনদীঃ খোয়াই ( হবিগঞ্জ) মনু (মৌলভীবাজার), সোমেশ্বরী ( নেত্রকোনা), কংশ (শেরপুর), গোমতী (কুমিল্লা), শীতলক্ষ্যা (নারায়নগঞ্জ) , ডাকাতিয়া (চাঁদপুর)
♦ মেঘনার শাখা নদীঃ তেঁতুলিয়া
♦ কর্নফূলী ঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষর¯্রােতা নদী। আসাম / মিজোরামের লুসাই পাহাড়ের লাংলেহ নামক স্থানে উৎপত্তি লাভ করে রাঙ্গামাটি জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
কপ্তাই জল বিদ্যুৎকেন্দ্র ঃ ১৯৬২ সালে চালু
কর্ণফূলীর উপনদীঃ হালদা, বোয়াল খালি, কাসালং
♦ নাফ ঃ আরাকান পর্বতমালায় উৎপত্তি। বাংলাদেশ মায়নমার সীমান্ত বরাবর ৫৬ কিমি অতিক্রম করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
♦ সাঙ্গুঃ আরাকান পর্বতমালায় উৎপত্তি হয়ে বান্দরবান চট্টগ্রাম হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
♦ মাতামুহুরীঃ মায়নমারের লামা মইভার পর্বতে উৎপত্তি। বান্দরবান, কক্সবাজার হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত।
♦ তিস্তা নদীঃ সিকিমের চিতুম হ্রদে বা সিকিমের উচ্চ ভূমিতে উৎপন্ন হয়ে নীলফামারি জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ( ভারত ১৯৮৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার গজলডোবা নামক স্থানে ব্যারেজ নির্মাণ করে) এবং গাইবান্ধা জেলায় ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়।
♦ মহানন্দা নদী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এ মহালদিরাম পাহােেড় উৎপন্ন। পঞ্চগড় জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পুনরায় ভারতে যায় এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা দিয়ে বাংলাদেশে আবার প্রবেশ করে।
♦ হালদা নদীঃ বাংলাদেশে উৎপন্ন নদী : খাগড়াছড়ির বাদনাতলী পর্বত শৃঙ্গে উৎপত্তি এবং কর্ণফুলি নদীতে গিয়ে মিলিত।

চিত্র-2

 

                                                                                                           বঙ্গোপসাগর
♦ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড —————–বঙ্গোপসাগরে
♦ বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বিখ্যাত বন্দরগুলো হলো ভারতের কলিকাতা ও মাদ্রাজ, শ্রীলংকার কলম্বো, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা, মিয়ানমারের রেঙ্গুণ / ইয়াঙ্গুন ও আকিয়াব ।
♦ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা—-১২ নটিক্যাল মাইল
♦ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা——-২০০ নটিক্যাল মাইল
♦ ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫৩ কিলোমিটার/ ১.১৫ মাইল
♦ মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ মামলার রায় দেয়া হয় ১৪ মার্চ ২০১২
সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্রুনালের (ওঞখঙঝ জার্মানীর হামবুর্গ) রায়ে
♦ ৭ জুলাই ২০১৪ ভারতের সাথে সমুদ্র বিরোধ নিয়ে রায় দেয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত সালিশি ট্রাইব্যুনালে
♦ বাংলাদেশের সমুদ্র্ উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিমি
♦ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার –১২০/১৫৫ (বহুল প্রচলিত)
♦ কক্সবাজারের প্রাচীন নাম ফালকিং/পালংকি, ক্যাপ্টেন কক্স এর নামে
♦ কুয়াকাটা বা পটুয়াখালীকে সাগরকন্যা বলে
♦ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্য উদয় ও সূর্য অস্ত এক জায়গা থেকে দেখা যায়।

                                                                                                       দ্বীপ / চর
♦ বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ —-বাংলাদেশ
♦ বাংলাদেশের বৃহত্তম বদ্বীপ—-সুন্দরবন
♦ বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপের নাম ভোলা ৩৪০৩ বর্গ কিলোমিটার
♦ সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিমি
♦ ছেঁড়া দ্বীপ ৩ বর্গকিমি (২০০০ সালে সন্ধান পায়)
♦ সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা
♦ দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ— হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়
♦ নিঝুম দ্বীপ-নোয়াখালী জেলায় (মেঘনার মোহনায়)
♦ নিঝুম দ্বীপের পূর্বনাম বাউলার চর
♦ সোনাদিয়া দ্বীপ কক্সবাজারের পশ্চিমে
♦ পর্তুগিজরা ভোলার মনপুরা দ্বীপে বসবাস করত
♦ আদিনাথ মন্দির অবস্থিত পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালীতে
♦ ফারাক্কা বাধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ শেষ হয় ১৯৭৪ চালু হয় ১৯৭৫ সালে।
♦ ফারাক্কা বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে ১৬.৫ কিমি ভেতরে মনোহর পুরে অবস্থিত।
♦ ৩০ বছর মেয়াদী ফারাক্কা চুক্তি হয় ১২ ডি. ১৯৯৬
♦ চুক্তি অনুযায়ী— ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে।
♦ মাওলানা ভাসানি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে লং মার্চ করেন।
♦ দুবলার চর—— সুন্দরবনের দক্ষিনে
♦ চর আলেকজান্ডার——– লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে
♦ মহুরীর চর ———– ফেনী জেলার পরশুরাম
♦ উড়ির চর ——– সন্দীপ চট্টগ্রাম
♦ বাংলাদেশের যমুনা নদীতে সবচেযে বেশি চর রয়েছে।
♦ নির্মল চর—— রাজশাহী জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে
♦ বরাক নদী —— মুণিপুর রাজ্যে
♦ টিপাইমুখ বাঁধ বরাক নদীতে বাংলাদেশ থেকে ১০০ কিলোমিটার ভিতরে বিল
♦ বাংলাদেরে বৃহত্তম বিল চলন বিল (পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর)।
♦ মিঠাপানির মাছের প্রধান উৎস চলন বিল ( আত্রাই নদী বিলের মধ্য দিয়ে)
♦ আড়িয়াল বিল— মুন্সিগঞ্জে
♦ বিল ডাকাতিয়া——– খুলনা জেলার ডুমুরিয়ায় অবস্থিত
♦ পশ্চিমা বাহিনীর নদী বলা হয় ——— বিল ডাকাতিয়াকে
♦ ডাকাতিয়া নদী ——-চাঁদপুরে।

 

                                                                                      লেক / হ্রদ
♦ ফয়েস লেক এবং মহামায়া লেক — চট্টগ্রামে অবস্থিত
♦ বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ কাপ্তাই লেক ভেঙ্গী ভ্যালিতে
♦ কাপ্তাই হ্রদের আয়তন ১৭২২ বর্গ কিলোমিটার
♦ লেকের জেলা হিসেবে পরিচিত রাঙ্গামাটি
♦ প্রান্তিক ও বগা লেক বান্দরবান
♦ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি ২০, ৪০০ হেক্টর মৌলভিবাজার জেলা ও সিলেট জেলার কিছু অংশ
♦ হাইল হাওর মৌলভিবাজার জেলায়
♦ টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জে ৯৭২৫ হেক্টর জলপ্রপাত ও ঝর্না
♦ সাধারণ প্রাকৃতিক ভাবে খাড়া ভাবে নিপতিত জলরাশিকে জলপ্রপাত বলে।
♦ মাধবকুন্ড ও হামহম জলপ্রপাত মৌলভিবাজার জেলার বড়লেখায়
♦ ঋজুক জলপ্রপাত রুমা —-বান্দরবান
♦ শীতল পানির ঝর্ণা কক্সবাজার হিমছড়ি
♦ গরম পানির ঝর্ণা চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড পাহাড়ে
♦ শুভলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটি জেলায়
♦ রিঝং ঝর্ণা খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়/পর্বত
♦ বাংলাদেশের পাহাড় সমূহ গঠিত হয় টারশিয়ারি যুগে
♦ বাংলাদেশের পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে প্লেট টেকটোনিক থিওরি বা পাত সংস্থান মতবাদ অনুযায়ী
♦বাংলাদেশের পাহাড় সমূহ ভাঁজ বা ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণী
♦ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়ের নাম গারো পাহাড় ময়মনসিংহ
♦ খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে উঁচু পাহাড় আলুটিলা
♦ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ কুলাউড়া পাহাড় মৌলভীবাজার জেলা
♦ চন্দ্রনাথ পাহাড় / মন্দির চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে
♦ কালা পাহাড় বা বাংলার দার্জিলিং বা পাহাড়ের রানী বলা হয় চিম্বুক পাহাড়কে
♦ ২৩০০ ফুট উচ্চতায় চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে মারমা উপজাতি বাস করে।
♦ বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পর্বশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়
♦ মারমা শব্দ তাজিংডং এর অর্থ গভীর অরন্যের পাহাড় ১২৩১ মিটার ৪০৩৯ (রুমা, বান্দরবান)
♦ দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বত কেওকারাডং রুমা, বান্দরবান ১২৩০ মিটার বা ৪০৩৫.৪৩ ফুট ভ্যালি বা উপত্যাকা
♦ ভ্যালি বা উপত্যকা: দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী সমতল ক্ষেত্রকে উপত্যকা বা ভ্যালি বলে।
♦ ভেঙ্গি ভ্যালি কাপ্তাই লেক রাঙ্গামাটি
♦ বলিশিরা ভ্যালি ———মোলভীবাজার
♦ হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়িতে
♦ নাপিত খালি ভ্যালি— কক্সবাজার
♦ সাঙ্গু ভ্যালি ——–চট্টগ্রামে ইকোপার্ক
ইকোপার্ক: জীববৈচিত্রে সংরক্ষণে প্রাণিকূলের অভয়ারণ্য গড়ে তোলা ও চিত্তবিনোদনের জন্য নির্মিত পার্ক হচ্ছে ইর্কো পার্ক।
♦ বাংলাদেশের প্রথম ইকোপার্ক সীতাকুন্ড ইকোপার্ক ২০০১ সালে
(এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় ইকোপার্ক)
♦ মুরইছড়া ইকোপার্ক ও মাধবকুন্ড ইকোপর্ক ১৫ এপ্রিল ২০০১ কুলাউড়া মৌলভীবাজার জেলায়
♦ বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক চকোরিয়া কক্সবাজার ২০০১। এর অপর নাম ডুলা হাজরা সাফারি পার্ক
♦ গাজীপুর জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফারি পার্ক ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত নাম বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক

বাংলাদেশকে জানুন
লেকচার-১-বাংলাদেশ-পরিচিত
লেকচার-২-বাংলাদেশ-পরিচিত
লেকচার-৩-বাংলাদেশ-পরিচিত
Share on

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

10 + sixteen =